মুখের ব্রণ উঠলে কি করবো? এর থেকে মুক্তির উপায়

মুখের ব্রণ একটি সাধারণ সমস্যা যা যেকোনো বয়সের মানুষকেই হতে পারে। ব্রণ হওয়ার প্রধান কারণ হল ত্বকের তৈলাক্ততা, ব্যাকটেরিয়া এবং মৃত কোষের জমাট বাঁধা। 

মুখের ব্রণ উঠলে কি করবো? এর থেকে মুক্তির উপায়


আজকের ব্লগে আমরা জানতে চলেছি কিভাবে এই ব্রণের সমস্যা রোধ করা যায় খুব সহজেই।  তবে চলুন শুরু করি। 

ত্বকের যত্ন: ত্বক পরিষ্কার রাখা এবং তৈলাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করা ব্রণ দূর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন দুবার মৃদু ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এছাড়াও, একটি টোনার ব্যবহার করুন যাতে ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল এবং ময়লা দূর হয়ে যায়।

ওষুধ: ব্রণর মাত্রা তীব্র হলে, ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। ওভার-দ্য-কাউন্টার (OTC) ওষুধের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল লোশন, ক্রিম এবং সাবান। প্রেসক্রিপশন ওষুধের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক, রেটিনয়েডস এবং আইসোট্রেটিনোইন।

৩টি ঘরোয়া প্রতিকার ব্রণ কমাতে আপনাককে সাহায্য করতে পারে। যেমন: 

১)বরফ: বরফ ব্রণের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। বরফের টুকরো একটি নরম কাপড়ে মুড়িয়ে ব্রণের উপর রাখুন।

২)টি ট্রি অয়েল: টি ট্রি অয়েল একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক যা ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল একটি কটন তুলায় নিয়ে ব্রণের উপর লাগান।

৩)মধু: মধু একটি অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান যা ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। মধু ব্রণের উপর লাগান এবং ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে নিম্নলিখিত টিপসগুলি অনুসরণ করতে পারেন:

১.মুখের ত্বক স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন। মুখের ত্বক স্পর্শ করলে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং ব্রণ বাড়তে পারে।

২.তৈলাক্ত খাবার এবং পানীয় এড়িয়ে চলুন। তৈলাক্ত খাবার এবং পানীয় ত্বকের তৈলাক্ততা বাড়িয়ে ব্রণ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

৩.পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ত্বকের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়তে পারে এবং ব্রণ হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

৪.নিয়মিত ব্যায়াম করুন। নিয়মিত ব্যায়াম শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যের উন্নতি করে এবং ব্রণ হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

৫.যদি আপনার ব্রণ তীব্র হয় বা ওষুধ বা ঘরোয়া প্রতিকারে কাজ না করে, তাহলে একজন ডাক্তার বা ত্বক বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।

মুখে ব্রণ উঠলে এটি আপনার ত্বকের সমস্যা হতে পারে এবং এর জন্য কিছু উপায় আছে:

প্রতিদিন ত্বকের যত্ন নেওয়া: মুখে ব্রণ থাকলে প্রতিদিন ত্বকের সাথে যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। মুখ পরিস্কার এবং যত্নসহকারে রাখতে দ্বিধা করবেন না।

ভালো খাবার খাওয়া: আপনার খাবারে উপস্থিত প্রয়োজনীয় পুষ্টি দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ফল, সবজি, দুধ, দুধ থাকতে মোটামুটি স্বাস্থ্যকর যা মুখে ব্রণের উৎপাদন সাহায্য করতে পারে।

প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা: পর্যাপ্ত পানি পান করা ত্বকে পুরানো সেলসেলের বর্তনী সাহায্য করতে পারে এবং মুখে ব্রণের প্রাদুর্ভাব করতে সাহায্য করতে পারে।

ত্বক যত্ন: মুখে ব্রণ দেখা গেলে, নির্মিতির জন্য ব্যবহার করা উপযুক্ত ত্বক যত্ন পণ্য এবং উপায় ব্যবহার করবেন।

চিকিৎসা: যদি মুখে ব্রণ সমস্যা দেখা দেয় এবং এটি ক্ষতিগ্রস্থ বা স্থায়ী না হয়, তাহলে ত্বকের বৃদ্ধি বা অন্য চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে। চিকিৎসার সাথে নির্ধারণ করতে ডাক্তারের সাথে আলাপ করা গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, মুখে ব্রণ যদি দীর্ঘকালে স্থায়ী থাকে এবং বেশি চিকিৎসা প্রয়োজন হয়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে। আর যদি চান বাহিরে কোনো ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অনলাইনেই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে একজন ডাক্তারের সাথে কথা বলতে তবে এখানে ক্লিক করুন। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url