জ্বর হলে কি করবেন? কি করলে দ্রুত জোর থেকে ভালো হওয়া যাই?

জ্বর হল শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা (৩৬.১-৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে বেশি তাপমাত্রা (৩৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি)। জ্বর সাধারণত একটি সংক্রমণের লক্ষণ, তবে এটি অন্যান্য কারণেও হতে পারে, যেমন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ক্যান্সার বা মেটাবলিক ব্যাধি।

জ্বর হলে কি করবেন? কি করলে দ্রুত জোর থেকে ভালো হওয়া যাই?

সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি "সুবহানাল্লাহ হোমিও ক্লানিকে" আশা করছি সবাই ভালো আছেন। আমাদের আজকের টপিক হচ্ছে জ্বর হলে কি করবেন? তবে চলুন শুরু করা যাক। 

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। বিশ্রাম দেওয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত তরল পান করুন। জ্বর হলে শরীর থেকে তরল বেরিয়ে যায়, তাই পর্যাপ্ত তরল পান করা জরুরি। পানি, ফলের রস এবং স্যুপ ভালো বিকল্প।

ওষুধ নিন। জ্বর কমাতে ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। ওভার-দ্য-কাউন্টার (OTC) জ্বরনাশক ওষুধের মধ্যে রয়েছে প্যারাসিটামল, আইবুপ্রোফেন এবং অ্যাসিটামিনোফেন। ঠান্ডা থাকুন। জ্বর কমাতে এবং আরামদায়ক বোধ করতে ঠান্ডা থাকুন। হালকা কাপড় পরুন এবং একটি শীতল বাতাসের স্রোত দিন।

জ্বর থেকে দ্রুত ভালো হওয়ার জন্য এই ৩টি কাজ অনুসরণ করুন:

১)প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। প্রোটিন শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলিকে মেরামত করতে সাহায্য করে।

২)ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খান। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৩)ঘুমের পরিমাণ বাড়ান। ঘুম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৪)কোল্ড কমপ্রেস। জ্বরের সাথে ব্যাথা এবং ত্বক সুস্থ্য করার জন্য কোল্ড কমপ্রেস (ঠান্ডা পানি দিয়ে সম্ভবত তিনটি পাশে) প্রয়োজনে ব্যবহার করা যেতে পারে।

জ্বর হলে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি দেখা দিলে অবিলম্বে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক:

১.জ্বর তিন দিনের বেশি স্থায়ী হয়।

২.জ্বরের সাথে মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব বা বমি হয়।

৩.জ্বরের সাথে শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা বা ফুসকুড়ি হয়।

৪.জ্বরের সাথে শিশুর ত্বক ফুলে যায় বা নীল হয়ে যায়।

৫.জ্বর একটি সাধারণ সমস্যা যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তেমন কোন গুরুতর কারণ থাকে না। তবে, কিছু ক্ষেত্রে জ্বর একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। 

তাই জ্বর হলে সতর্কতা অবলম্বন করা এবং প্রয়োজনে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা জরুরি।

যদি আপনি জ্বর অথবা পানির সহ অন্যান্য অসুখ অনুভব করেন, তাহলে প্রথম কাজ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে, এবং ডাক্তারের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। জ্বর কারণ বোধ করা হলে ডাক্তার নির্দেশনা মোতাবেক প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করতে পারেন। বিনামূল্যে একজন ডাক্তারের পরামর্শ পেতে এখানে ক্লিক করুন

মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, জ্বর কিংকর্তব্যশীলভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, তবে এটি অস্পষ্ট কারণে থাকতে পারে, এবং অবশ্যই সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ প্রাপ্ত করা উচিত। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url